জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে ভারতের ভূমিকা
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে ভারতের ভূমিকা ভারতের ভৌগোলিক আকার, অর্থনৈতিক শক্তি এবং কূটনৈতিক প্রভাব এটিকে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) একজন প্রতিষ্ঠাতা […]
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে ভারতের ভূমিকা ভারতের ভৌগোলিক আকার, অর্থনৈতিক শক্তি এবং কূটনৈতিক প্রভাব এটিকে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) একজন প্রতিষ্ঠাতা […]
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্যগুলি নিম্নরূপ: ১. জোটবিরোধী অবস্থান:শীতল যুদ্ধের সময় মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা ব্লক (ন্যাটো) এবং সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন পূর্ব ব্লক
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে জওহরলাল নেহেরুর ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য ও নির্ধারক। ১৯৪৬ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর, স্বাধীনতার পূর্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে,
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) দুজন অগ্রণী নেতা হলেন: ১. জওহরলাল নেহেরু (ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী) – তিনি জোট নিরপেক্ষতার তাত্ত্বিক ভিত্তি রচনায় এবং
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যুগোস্লাভিয়ার (বর্তমান সার্বিয়ার) রাজধানী বেলগ্রেডে। বিশদ বিবরণ: এটি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) বর্তমানে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তার প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখেছে প্রধানত “বৈশ্বিক দক্ষিণ”-এর সম্মিলিত কণ্ঠস্বর ও স্বার্থরক্ষার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে।
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯৬১ সালে, যুগোস্লাভিয়ার (বর্তমানে সার্বিয়ার) রাজধানী বেলগ্রেডে। বিস্তারিত বিবরণ: ১. প্রথম শীর্ষ সম্মেলন: জোট নিরপেক্ষ
জোট নিরপেক্ষ নীতি হলো একটি বৈদেশিক নীতির আদর্শ বা নীতিমালা, যেখানে কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শীতল যুদ্ধের সময় গঠিত দুটি প্রধান শক্তিব্লক—সোভিয়েত